
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় নিতাইগঞ্জ এলাকায় নগরভবনের অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়া হলের স্থাপত্য নকশা উপস্থাপন বিষয়ক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় স্থপতি জাহিদুল ইসলাম খান শহীদ জিয়া হলের প্রস্তাবিত নকশা উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে ভবন দুটির অ্যানিমেটেড চিত্রও প্রদর্শন করা হয়।
প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, শহীদ জিয়া হলে প্রায় ৮০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ৯০০ আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়াম, জিয়া গ্যালারি, লাইব্রেরি, মাল্টিপারপাস রুম, মিনি থিয়েটার, পাবলিক স্পেস, ক্যাফেটেরিয়া ও রেস্টিং এরিয়া নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংস্কারের পর হলে সেমিনার কক্ষ, রিহার্সেল রুম, নামাজের স্থান, আর্ট গ্যালারি, ফুডকোর্ট ও ভিআইপি রেস্টরুমসহ বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সভা-সেমিনার ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড আয়োজনের উপযোগী করে হলটিকে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নকশা উপস্থাপনের সময় স্থপতি জাহিদুল ইসলাম খান বলেন, ভবনটির নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ভবনের ভেতরে দিনের বেলায় প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাইনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম, গণসংহতি আন্দোলন জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, সাবেক নারী কাউন্সিলর দিলারা মাসুদ ময়না, নাসিক নগর পরিকল্পনাবিদ মঈনুল ইসলাম, খেলাঘর আসরের সভাপতি জহিরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনা প্রমুখ।